হে বুর্জোয়া প্রেমিকা ,
হয় নত হো অথবা আহত করো আরও আরও অবিরত ,
ছুঁড়ে ফেলে দাও নিবীড়ভাবে জড়ানো মেকী অনুতপ্ততার চাদর ।
তোমার সুউচ্চ অহম আর স্বার্থপর আবেগকে বাড়তে দাও আরও
মাথা তুলতে দাও ,
ডিঙিয়ে যেতে দাও মেঘকে
ছাড়িয়ে যেতে দাও আকাশ ।


কিন্তু এরপর ?


এরপর তুমি পাবে নিকষ নিস্তব্ধ নীরবতা আর নৃশংস একাকীত্বকে । তাতে কী ,
আরও উঠতে দাও তোমার অহমকে । কী আসে যায় নিঃসঙ্গতায় , বিষাদের কালো ছায়ায় , গ্রহণ লাগে যদি জীবনে ।

কীইবা আসবে যাবে তোমার যখন হাজার আলোকবর্ষ দুরত্ব তৈরী হবে তোমার আর আর বেঁচে থাকার মাঝে ? কিছুই তো নয় ।

এক দমকা বাতাসের অথবা ঝলমলে বিকেলের চাইতে তোমার কাছে তো সেই মহাকাশের আঁধার প্রিয় ।
অথচ সেই আঁধারের মাঝে শ্বাস নেবার জন্য আকুলি বিকুলি করে খুঁজছো তুমি এক টুকরো আলো ।

হে বুর্জোয়া প্রেমিকা,
হয় নত হও অথবা নিহত হও প্রেমিকের হৃদ সমাধিতে ।

আর না হয় অনুতাপ , নিঃসঙ্গতা , বিষাদে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে বাঁচো !